
"গরমের মধ্যে যন্ত্রণায় আছি- গভীর রাতেও দুই-তিনবার বিদ্যুৎ যায়, একবার গেলে দেড়-দুই ঘণ্টার কমে আসে না।"
নয়ন বড়ুয়ার অভিযোগ: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাসিন্দা নয়ন বড়ুয়া বিবিসি বাংলাকে জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটছে।
দেশব্যাপী বিদ্যুৎ সংকট: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে শহর এলাকায় দিনে-রাতে নিয়মিত পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে সাত থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, এমন দাবি করছেন বিদ্যুতের গ্রাহকরা।
শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ: "এসএসসি পরীক্ষার সময় তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় পরিস্থিতি খুবই খারাপ," নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দার বাসিন্দা পলাশ তালুকদার বিবিসি বাংলাকে জানান।
জ্বালানি সংকটের প্রভাব: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশে লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট আগে থেকেই দেখা যাচ্ছে। তবে গত তিনদিনে গ্রাম ও শহর নির্বিশেষে সারা দেশে লোডশেডিং বেড়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবস্থা: গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি এবং কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ইউনিটে কারিগরি ত্রুটির কারণে উৎপাদন কমেছে, যা বিদ্যুৎ সরবরাহে দুর্বলতা সৃষ্টি করেছে।
সরকারের তথ্য: বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদনের ঘাটতি থাকার কারণে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।